দারিদ্র্যের দেয়াল ভেঙে ঢাবির পথে সাথি, অর্থাভাবে থমকে যাওয়ার শঙ্কা

অদম্য মেধা ও অদম্য ইচ্ছাশক্তির জোরে সকল বাধা পেরিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন নাটোরের সিংড়া উপজেলার মেধাবী শিক্ষার্থী সাথি খাতুন। কিন্তু চরম আর্থিক সংকটে এখন তার উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন থমকে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

সাথি খাতুন সিংড়া উপজেলার কুড়িপাকিয়া আযিযুল উলুম ফাজিল মাদ্রাসা থেকে দাখিল ও আলিম পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জন করেন। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘খ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়ে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিষয়ে ভর্তির সুযোগ পান।

তবে এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে দারিদ্র্যের সঙ্গে দীর্ঘ সংগ্রামের গল্প। সাথির বাবা একজন অটোভ্যান চালক। সংসারের নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ চালাতেই যেখানে পরিবারকে হিমশিম খেতে হয়, সেখানে মেয়ের উচ্চশিক্ষার ব্যয় বহন করা তাদের জন্য প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

সাথির বাড়ি উপজেলার ১ নম্বর সুকাশ ইউনিয়নের সাহেব আটখোলা গ্রামে। স্থানীয়দের মতে, সাথি অত্যন্ত মেধাবী, ভদ্র ও পরিশ্রমী একজন শিক্ষার্থী। সামান্য সহযোগিতা পেলেই তার জীবনের মোড় ঘুরে যেতে পারে এবং সে দেশের জন্য মূল্যবান সম্পদ হয়ে উঠতে পারে।

সাথি খাতুন বলেন, “ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করার। আল্লাহর রহমতে সেই সুযোগ পেয়েছি, কিন্তু অর্থের অভাবে সেই স্বপ্ন পূরণ হবে কি না তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।”

স্থানীয় সচেতন মহল ও শিক্ষকদের মতে, সাথির মতো মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো সমাজের দায়িত্ব। সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতা পেলে তার উচ্চশিক্ষার পথ সহজ হবে।

সাথির বাবার সঙ্গে যোগাযোগের জন্য মোবাইল নম্বর: ০১৭৮৬-২৪৩১০০।

.fb-background-color { background: #ffffff !important; } .fb_iframe_widget_fluid_desktop iframe { width: 320px !important; }