# “শিশু রামিসা হত্যা ” জানা গেল সেই ডলারের পরিচয়

- Link: https://chalanbillnews24.com/2026/06/02/shishu-ramisa-hoty%e0%a6%be-jana-gelo-sei-dolarero-porico%e0%a7%9f/
- Published: ২০২৬-০৬-০২T১৫:২৪:৫৩+০৬:০০
- Author: চলনবিল নিউজ২৪ ডেস্ক

পল্লবীর শিশু রামিসা হত্যা মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানার আদালতে দেওয়া জবানবন্দি ঘিরে &#8216;ডলার&#8217; নামের যে চরিত্রটি সামনে এসেছিল, তার পরিচয় মিলেছে। তবে তদন্তকারী কর্মকর্তাদের দাবি, পুরো বিষয়টিই আসলে মামলার বিচারপ্রক্রিয়া ভিন্ন খাতে নেওয়ার একটি অপচেষ্টা তদন্ত সংশ্লিষ্ট ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ডলারের মূল বাড়ি পল্লবী এলাকাতেই। যে বাসায় রামিসাকে হত্যা করা হয়, তার কয়েক বাড়ি পরেই ডলারের বসবাস। পেশায় অটোরিকশাচালক ডলার মূলত মাদকাসক্ত। অন্যদিকে আসামি সোহেল রানা ওই এলাকারই একটি রিকশা গ্যারেজের মেকানিক হিসেবে কাজ করতেন। সেই সূত্রেই তাদের পরিচয় এবং ওই গ্যারেজে ডলারের নিয়মিত যাতায়াত ছিল। &nbsp; ডলারের পরিবার স্থানীয়ভাবে বেশ অবস্থাসম্পন্ন এবং এলাকায় তাদের নিজস্ব বাড়িও রয়েছে। পাঁচ ভাই ও দুই বোনের মধ্যে ডলার সবার ছোট। তবে নেশার টাকার জোগাড় করতেই তিনি অটোরিকশা চালাতেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। &nbsp; তার বড় ভাই সেলিম রায়হান গণমাধ্যমকে জানান, দীর্ঘ ১৯ বছর ধরে পরিবারের সঙ্গে ডলারের কোনো সম্পর্ক নেই। মাদকাসক্তির কারণে পরিবারের সবাই তাকে এড়িয়ে চলেন। তবে রামিসা হত্যাকাণ্ডে যদি ডলারের কোনো সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হয়, তবে তারও সর্বোচ্চ শাস্তি হওয়া উচিত বলে মনে করেন তিনি। &nbsp; সোমবার শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ গঠনের সময় আদালতে হাজির করা হলে সোহেল রানা সাংবাদিকদের সামনে দাবি করে, ধর্ষণ করেছে ডলার, মারছেও ডলার। আমি শুধু লাশ গুম করতে চেয়েছি। একপর্যায়ে সে আরও দাবি করে, &#8216;মেয়েটাকে এনে দিতে পারলে ডলার আমাকে দুই লাখ টাকা দেওয়ার কথা বলেছিল। তবে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক ওহিদুজ্জামান ভূঁইয়া বলেন, তদন্ত চলাকালে ডলার নামে একজনের বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেলেও তার বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ মেলেনি। ডিজিটাল তদন্তেও ঘটনাস্থলে তার উপস্থিতির তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগপত্রে তার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। &nbsp; উল্লেখ্য, গত ১৯ মে পল্লবীর একটি বাসা থেকে শিশু রামিসা আক্তারের খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও সোহেল রানাকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আদালতে তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দেন। তদন্ত শেষে পুলিশ মামলাটির অভিযোগপত্র আদালতে জমা দিয়েছে এবং বিচার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
