# লালপুরে কুমড়ো বড়ি তৈরিতে ব্যস্ত গৃহিণীরা

- Link: https://chalanbillnews24.com/2025/12/06/%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a7%8b-%e0%a6%ac%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%bf-%e0%a6%a4%e0%a7%88%e0%a6%b0%e0%a6%bf/
- Published: ২০২৫-১২-০৬T১৯:২১:০৩+০৬:০০
- Author: চলনবিল নিউজ২৪ ডেস্ক

এ জেড সুজন, লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি: শীত মৌসুম এলেই গ্রামের নারীদের মধ্যে বেড়ে যায় কুমড়ো বড়ি তৈরির ব্যস্ততা। তাই শীতের শুরুতেই নাটোরের লালপুরে গ্রামে গঞ্জে কুমড়ো বড়ি তৈরির ধুম পড়েছে, নতুন মাসকলাই ও চালকুমড়ার মিশ্রণে তৈরি সুস্বাদু খাবারটি এই অঞ্চলে খুবই জনপ্রিয়, শীত আসলে কুমড়ো বড়ি তৈরি হয়না এমন বাড়ি খুঁজে পাওয়া মুশকিল। গ্রামের নারীরা পরিবারের চাহিদা মেটানো এবং অতিরিক্ত আয়ের জন্য এই কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন, যা সাধারণত কার্তিক মাস থেকে শুরু হয়ে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত চলে। রোদে শুকিয়ে মচমচে বড়ি তৈরি করা হয়, যা এই অঞ্চলের চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করা হয়। কুমড়ো বড়ি তৈরির উপকরণ এবং প্রস্তুত প্রণালী জানতে চাইলে রিপা খাতুন নামে গৃহিণী বলেন, মাসকলাই ডাল ও চালকুমড়া ব্যবহার করে এই বড়ি তৈরি হয়, নতুম মাসকলাই ডাল ও পাকা চালকুমড়া ব্লেন্ডার অথবা শিল পাটায় বেটে একটি ঘন মিশ্রণ তৈরি করা হয়। এরপর, মিশ্রণটি ভালোভাবে মাখিয়ে বাঁশের কাঠির তৈরি নেটের ওপর ছোট ছোট করে বড়ি আকারে দেওয়া হয়। ভালো রোদে ৩ থেকে ৪ দিন শুকিয়ে বিক্রি বা খাওয়ার উপযোগী করা হয়। আরেক গৃহীনি রোজিনা খাতুন বলেন, “এই বড়ি তৈরি করে অনেক নারী পরিবারের বাড়তি আয় করছেন, যা তাদের স্বচ্ছলতা বাড়িয়েছে, শীতের সকালে মিষ্টি রোদে বসে গ্রামের নারীরা একে অপরকে সহযোগিতা করে এই কাজটি করে থাকেন”।
